ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের আর্থিক প্রভাব
বাংলাদেশে পরিচালিত অধিকাংশ কমিউনিটি ফার্মেসির প্রধান আর্থিক লোকসানের কারণ হলো মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ। একটি মাঝারি ফার্মেসিতে প্রতি বছর গড়ে ৫০,০০০ থেকে ২,০০,০০০ টাকার ওষুধ মেয়াদ পার হয়ে নষ্ট হয়। কোম্পানিগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এক্সপায়ারি অ্যাডজাস্টমেন্ট দিলেও নির্ধারিত সময়ের পর আর ফেরত নেয় না।
১. FIFO নয়, FEFO (First-Expire, First-Out) নিয়ম মেনে চলুন
সাধারণ পণ্যের মতো "আগে কেনা ওষুধ আগে বিক্রি" করলে অনেক সময় নতুন ব্যাচ আগে চলে যায় এবং পেছনের ওষুধের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। PharmacyOS-এর স্বয়ংক্রিয় ব্যাচ ট্র্যাকিং আপনাকে সবসময় সবচেয়ে কম মেয়াদের ওষুধ আগে বিক্রির নির্দেশনা দেয়।
২. ৯০, ৬০ এবং ৩০ দিনের পূর্ব-সতর্কবার্তা সেট করুন
ওষুধের মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ৯০ দিন আগেই সতর্ক বার্তা পাওয়া জরুরি, যাতে কোম্পানির প্রতিনিধি (MPO)-র কাছে সময়মতো রিটার্ন ক্লেইম বা রিপ্লেসমেন্ট চাওয়া যায়।
৩. স্লো-মুভিং ও হাই-ভ্যালু ওষুধের প্রতি বিশেষ নজর
যেসব অ্যান্টিবায়োটিক বা ইনসুলিনের দাম বেশি কিন্তু বিক্রি কম, সেগুলোর স্টক ন্যূনতম লেভেলে রাখুন। ডিজিটাল সফটওয়্যার ব্যবহার করলে স্লো-মুভিং আইটেমের স্টক রিপোর্ট এক ক্লিকেই পাওয়া যায়।
৪. কাভার্ড স্টোরেজ এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ
সরাসরি সূর্যের আলো ও উচ্চ তাপমাত্রায় ওষুধের গুণগত মান দ্রুত নষ্ট হয়। সঠিক রেফ্রিজারেশন ও ডিজিটাল লক নিশ্চিত করুন।
৫. আধুনিক ডিজিটাল ফার্মেসি ম্যানেজমেন্ট ও POS সফটওয়্যার গ্রহণ করুন
কাগজের খাতা বা সাধারণ এক্সেল শিট দিয়ে হাজার হাজার ওষুধের ব্যাচ ও মেয়াদ ট্র্যাক করা অসম্ভব। PharmacyOS এর মতো আধুনিক ক্লাউড সফটওয়্যার দিয়ে আপনি মোবাইলেই মেয়াদোত্তীর্ণের অ্যালার্ট পাবেন।